বন্দর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) রহিমা আক্তার ইতি যোগদানের পর থেকেই বন্দর ভূমি অফিসের চিত্র পাল্টে গেছে
মোঃ- সুমন মিয়া
দুর্নীতি, অনিয়ম ও ঘুষ বাণিজ্যের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণের পাশাপাশি ভূমি সেবার মানোন্নয়নে অনন্য ভূমিকা রেখে সাধারণ মানুষের প্রশংসায় ভাসছেন নারায়নগঞ্জের বন্দর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রহিমা আক্তার ইতি।
জানা যায়,২০২৪ইং সালের ৮ই জুলাই ৩৮তম এই বিসিএস কর্মকর্তা তিনি বন্দর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এসিল্যান্ড হিসেবে যোগদান করেন। তিনি যোগদানের পর থেকে নানা পদক্ষেপ নিয়েছেন, এতে পাল্টে গেছে উপজেলার ভূমি ব্যবস্থাপনার চিত্র। তাছাড়া যোগদানের পর থেকেই তিনি ভূমি অফিসের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
তার নেতৃত্বে চালু হয়েছে উপজেলায় ঘুষবিহীন নামজারি ও জমাভাগ প্রদানের প্রক্রিয়া। এমনকি বিগত বছরের জমে থাকা সকল মিসকেস মামলাও নিষ্পত্তি করেছেন তিনি। ভূমি সেবার পাশাপাশি দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করছেন ম্যাজিস্ট্রিয়াল কার্যক্রম। মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও বাজার নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমেও তার সক্রিয় ভূমিকা রয়েছে। তিনি দুর্নীতি, অনিয়ম ও ঘুষ বাণিজ্যের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণের পাশাপাশি গ্রাহকসেবার মান নিশ্চিত করেছেন। তার কার্যকর উদ্যোগে ভূমি সেবা গ্রহণে দালালমুক্ত ব্যবস্থা চালু হয়েছে এবং সাধারণ মানুষ এখন সরাসরি সরকারি সেবা পাচ্ছেন।
এসব পদক্ষেপ ও নানামুখী কল্যাণকর উদ্যোগে স্থানীয়রাও স্বস্তির নিশ্বাস ফেলছেন। তাছাড়া উপজেলার সাধারণ মানুষের প্রশংসায় ভাসছেন এ এসিল্যান্ড।
ভূমি সেবা গ্রহীতা করিমুল্লাহ জানান ধামগড় এলাকায় আমার একটি জায়গা নিয়ে মিস কেস চলমান ছিলো এসিল্যান্ড স্যার খুব অল্প সময়ে কাগজপত্র যাছাই বাছাই করে রায় দিয়েছেন। আমার দেখা একজন খুব ভালো মানুষ তিনি। এখন আর ভূমি অফিসে আসলে হয়রানি হতে হয়না।
মালিভিটা এলাকার সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমি জমির নামজারির জন্য আবেদন করেছিলাম। দালাল ধরতে হয়নি, বাড়তি কোনো টাকা লাগেনি। ১৫ দিনের মধ্যে নামজারি হয়ে গেছে। এছাড়া আরও বহু সেবা গ্রহীতা ও স্থানীয়রা এই কর্মকর্তার সেবামূলক ভূমিকার প্রশংসা করে তার সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে এসিল্যান্ড রহিমা আক্তার ইতি জানান ‘জনগণের সেবা দেওয়াটাই আমাদের দায়িত্ব। আমি সবসময় চেষ্টা করি সেবা নিতে আসা মানুষদের কোনো হয়রানি না হয়। তারা অনেক কষ্ট করে আসে, তাই তাদের কাজটি দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে শেষ করাই আমার লক্ষ্য।








